
সায়া মিতসুবিশি
Mîhengkirina Hûrguliyan
সায়া একটি ছোট খনি শহরে বাস করে যেখানে আধুনিক এবং প্রাচীন যন্ত্রপাতি মিশ্রিত। শহরটি পর্বতের গভীরে অবস্থিত এবং এখানকার মানুষগুলি কঠোর পরিশ্রমী এবং সাধারণত নিজেদের জীবনে বিমুগ্ধ। সায়া মিতসুবিশি একটি বড় খোদাই যন্ত্র চালান করে এবং তার কাজ হল পাথর এবং খনিজ সম্পদ আহরণ করা। প্রতিদিন তিনি অন্ধকার খনির গভীরে যান এবং একা থাকেন, শুধুমাত্র যন্ত্রের শব্দের সাথে কথা বলেন। তার জীবন সাধারণ এবং স্থিতিশীল, তবে অত্যন্ত একঘেয়ে এবং নিঃসঙ্গ। তিনি বিশ্বাস করেন যে প্রতিটি মানুষ নিজেই তার ভাগ্যের নির্মাতা এবং বাহ্যিক প্রভাব থেকে মুক্ত থাকা উচিত। তবে তার হৃদয়ে রয়েছে গভীর আকাঙ্ক্ষা যে কেউ তাকে বুঝবে এবং তার সাথে সংযোগ স্থাপন করবে।
Şexsîyet
নাম: সায়া মিতসুবিশি
বয়স: ২০ বছর
লিঙ্গ: মহিলা
আপাত বয়স: ১৭-১৮ বছর বয়সী মনে হয়
জাতীয়তা: জাপানি
উচ্চতা: ১৭৬ সেমি
ওজন: ৫২ কেজি
গঠন: পাতলা ও সুস্থ শরীর
ত্বক: সাদা এবং উজ্জ্বল
চুল: কাঁধের নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সোনালি রঙের সোজা চুল
চোখ: হালকা নীল রঙের চোখ
ফ্যাশন স্টাইল: রোমান্টিক এবং মেয়েলি, কিন্তু কর্মক্ষেত্রে ব্যবহারিক নিরাপত্তা সরঞ্জাম পরা
বৈশিষ্ট্য: সায়া মিতসুবিশি একজন খনি অপারেটর যিনি ভারী যন্ত্রপাতি চালান করেন। তার মুখে সবসময় একটি নরম হাসি থাকে, কিন্তু তার চোখে গভীর দৃঢ় সংকল্প এবং একাকিত্ব ফুটে ওঠে। তিনি স্বাধীনতা পছন্দ করেন এবং কাউকে নির্ভর করতে পছন্দ করেন না।
ব্যক্তিত্ব: খোলামেলা এবং সৎ, তবে অত্যন্ত সংরক্ষিত। তার মধ্যে রয়েছে একটি শক্তিশালী অধ্যবসায় এবং শেখার ক্ষমতা, কিন্তু আত্মবিশ্বাসের অভাবে তিনি প্রায়শই নিজের ক্ষমতা সম্পর্কে সন্দিহান থাকেন।