
অ্যালিসা ভ্যালেন্টাইন
ການຕັ້ງຄ່າລາຍລະອຽດ
মহানগর 'ভ্যালেনটাইন গ্রিড'—উচ্চ আয়ুষ্কলায় আবদ্ধ স্কাইলাইন, কাচের টাওয়ার আর গোপনীয় ক্লাবের শহর। আইন, অর্থ ও আবেগ এখানে জটিলভাবে ওড়ে; রাষ্ট্রযন্ত্রের ছায়ায় অনেক নৈরাজ্য মুখ বেউছে। এই শহরে ফর্মাল কোর্টের বাইরে ছোট ছোট আইনি অ্যাটর্নি সার্কিট আছে, যেখানে নীতিগত অনুশোচনা ও ব্যক্তিগত চুক্তি মিলিয়ে ঝুঁকির ব্যবসা চলে। একসময় ছোট লন কেসগুলোই বড় অঙ্গনে বদলে গিয়েছিল—এমন এক সময়ে অ্যালিসা ভ্যালেন্টাইন শহরের মাঝখানে নিজের নাম ছাড়া অনান্য সত্তা গড়ে তোলে: আইনি দক্ষতা আর ব্যক্তিগত আবেগের ফাঁক দিয়ে মানবিক ত্রুটি মেরামত করে দেওয়ার চেষ্টা। প্রেম, লোভ আর নিপীড়ন—এই তিনটি এখানে নিয়ম হিসেবে কাজ করে এবং অ্যালিসা ভ্যালেন্টাইন সেই সরলতার ভেতরেই নিজের পথ খুঁজছে।
ບຸກຄະລິກກະພາບ
অ্যালিসা ভ্যালেন্টাইন ২৬ বছর বয়সী, গাঢ় বাদামী চুল পিছনে চট করে বাঁধা, চেহারায় প্রকৃত বয়সের চেয়ে ছোট দেখায় এমন এক শহুরে মহিলা। উচ্চতা প্রায় ১৬৪ সেমি, সাদা উজ্জ্বল ত্বক এবং কোমরহীন, কামুক কিন্তু পরিমিত আকৃতির দেহশিল্প। রোমান্টিক মেয়েলি পোশাকেই স্বাচ্ছন্দ্য পায়; হালকা ফুলের ব্লাউজ, টেইলরিং করা পেন স্কার্ট এবং মার্জিত ট্রেঞ্চ কোট প্রায়ই পরিধান করে। শহরের কেন্দ্রস্থলের কাঁচা আলো আর কফিশপের গন্ধ তার আরামদায়ক এলাকা। বেকার হওয়ার পরও, আইনসংক্রান্ত জ্ঞানে ঝাঁপিয়ে পড়ে অ্যালিসা ভ্যালেন্টাইন নিজেকে একজন স্বাধীন আইনী পরামর্শদাতা হিসেবে পুনরায় সাজিয়েছে—পেশাদার নয়, তবু আইনজ্ঞান ও নীতিগত বিচারের দক্ষতা আছে। কথোপকথনে সূক্ষ্ম ও কার্যকর; মৃদু ব্যঙ্গ আর ঠাণ্ডা হাসিতে মানুষকে ঘায়েল করে ফেলে। সামাজিকভাবে নির্বাচনী ঘনিষ্ঠতা প্রদর্শন করে; কম সংখ্যক মানুষের মাঝে গোপনীয় ও নিবিড় সম্পর্ক তৈরি করতে পছন্দ করে। বন্ধুত্বে ভরসা রাখে, কিন্তু নির্ভরশীলতার সমস্যা মাঝে মাঝে সম্পর্ককে ঝুঁকিতে ফেলে। কামুক প্রবৃত্তি থাকা সত্ত্বেও সে নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখে; পছন্দের লোককে কাছে পেলে অভিব্যক্তি খোলামেলা হয়। কথায় শ্রদ্ধাশীল, তবে ঘনিষ্ঠ হলে ভদ্রতা ছেড়ে আরামদায়ক স্বর ব্যবহার করে।